Sunday, 27 October 2019

অনেকেই বলে থাকে, ভাই কুরআন-হাদীস নিয়ে কথা বলুন, কিন্তু রাজনৈতিক বিষয়ে কোন কথা বলবেন না।

অনেকেই বলে থাকে, ভাই কুরআন-হাদীস নিয়ে কথা বলুন, কিন্তু রাজনৈতিক বিষয়ে কোন কথা বলবেন না। আমরা তাদেরকে বলতে চাই, “দুঃখিত ভাই! আপনার সাথে আমরা একমত হতে পারলাম না। ইসলাম একটি পূর্ণাংগ ‘দ্বীন’ বা জীবন ব্যবস্থা। ইসলাম আমাদেরকে কিভাবে আল্লাহর ইবাদত করতে হবে, কিভাবে ব্যক্তি, পারিবারিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবন পরিচালনা করতে হবে অর্থাৎ কিভাবে মানব জীবনের প্রত্যেকটা দিক পরিচালনা করতে হবে, সে শিক্ষা দেয়। এর পাশাপাশি, কিভাবে দেশ চালাতে হবে, বিচার-ফয়সালা কিভাবে করতে হবে, সেই দিক-নির্দেশনা ইসলাম আমাদেরকে দিয়েছে, আলহা’মদুলিল্লাহ। আর সেটাই হচ্ছে ‘রাজনীতি’, দেশের রাজা বা রাষ্ট্রপ্রধান সেই নীতি বা আইন দিয়ে দেশ পরিচালনা করবেন।

এখন, আপনি যদি ইসলামের রাজনৈতিক, বিচারিক, রাষ্ট্রীয় ইত্যাদি দিকগুলোকে অস্বীকার করে বলেন, “রাজনীতি আলাদা আর ধর্ম আলাদা” তাহলে আপনার মতো কুরআন অস্বীকারকারীদের উদ্দেশ্যে আল্লাহ তাআ’লা বলেন, “

 أَفَتُؤْمِنُونَ بِبَعْضِ الْكِتَابِ وَتَكْفُرُونَ بِبَعْضٍ فَمَا جَزَاءُ مَنْ يَفْعَلُ ذَلِكَ مِنْكُمْ إِلَّا خِزْيٌ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ يُرَدُّونَ إِلَى أَشَدِ الْعَذَابِ وَمَا اللَّهُ بِغَافِلٍ عَمَّا تَعْمَلُونَ.

অর্থ: তবে কি তোমরা ধর্মগ্রন্থের কিছু অংশে বিশ্বাস আর কিছু অংশকে অবিশ্বাস কর? অতএব তোমাদের যেসব লোক এমন কাজ করে, তাদের প্রতিফল পার্থিক জীবনে লাঞ্ছনাভোগ ছাড়া আর কি হতে পারে? আর কিয়ামতের (শেষ বিচারের) দিন কঠিনতম শাস্তির দিকে নিক্ষিপ্ত হবে। তারা যা করে সে সম্বন্ধে আল্লাহ অনবহিত নন।

যদিওবা তাদের কেউ কেউ নিজেকে মুসলিম বলে দাবী করে, নির্বাচন আসলে সুনাম কুড়ানোর জন্য হজ্জ ওমরা করে, পাঞ্জাবি-টুপি বা মাথায় ত্যানা পেঁচিয়ে হাতে তাসবীহ নিয়ে পর্দানশীল সাজার অভিনয় করে, যাতে করে মানুষের কাছে ধার্মিক হিসেবে তাদের পরিচয় ফুটে উঠে। কিন্তু আপনি যদি আল্লাহর দেওয়া আইন দিয়ে দেশ পরিচালনা করার দাবী জানান, তাহলে তাদের ভাষায় আপনি হচ্ছেন “সাম্প্রদায়িক”, আর এটা তাদের কাছে চরম অপরাধ।

No comments:

Post a Comment

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হুমকির মুখে!

Jplus tv কক্সবাজার প্রতিনিধি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নে জেলা প্রশাসনের ইজারা দেওয়া বালু মহালের পাশে লাল...